No icon

সেবার মানসিকতা কোথায়

পল্লীবিদ্যুত কি গ্রাহক সেবায় বিশ্বাসী?

 দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন বহুগুনে বেড়েছে। বেড়েছে গ্রাহক সংখ্যাও।  সরকারের অঙ্গিকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া। ইতিমধ্যে দেশের প্রায় সিংহভাগ বিদ্যুতের আওতাভুক্ত হয়েছে। 

বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়লেও বাড়েনি সেবার মান। বরং হয়রানী বেড়েছে অসহনীয় মাত্রায়। বিশেষকরে পল্লীবিদ্যুতের 'সেবা'কে কোন অবস্থাতেই সেবা বলা যায়না। গ্রাহককে হয়রানী করাই যেন এই সংস্থাটির রুটিন ওয়ার্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

এমনিতেই গ্রাহককে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হয়। তাও যদি ঠিকমত বিদ্যুৎ পাওয়া যেত ! সামান্য বৃষ্টি পড়া শুরু হলেই বিদ্যুৎ উদাও হয়। আর যদি সাথে একটু বাতাস যোগ হয়, তাহলেতো কথায়ই নেই। জৈষ্ঠ মাস মধুমাস হলেও তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর অবস্থায় বিদ্যুতের যেন কোন বিকল্পই নেই।  

তাছাড়া, বিদ্যুৎ না থাকলে ছেলেমেয়েদের পড়ালেখাও লাটে উঠে। এখন সবকিছুই যখন বিদ্যুৎ নির্ভর, বিদ্যুৎ না থাকলে যাপিত জীবনে মানুষের বিরক্তি চরমে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। 

বিদ্যুৎ নিয়ে পল্লীবিদ্যুতের আচরণকে অবশ্যই বিটলামী বলা যায়। এটা নাকি আবার 'সমিতি'। সমিতির যারা সদস্য তাদের দুই পয়সার মূল্য আছে এর কর্মচারীদের কাছে বলা যাবেনা। এখানেও তাদের আমলাতন্ত্রের চরিত্র পরিলক্ষিত হয়। 

সরকার চায়, দেশ বিদ্যুতের আলোয় এগিয়ে যাক। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবায় নাগরিক সেবা নিশ্চিত হোক। ওরা সরকারের চাওয়াটাকে যে আমলেই নিচ্ছেনা তার প্রমাণতো দেশের মানুষই। 

এই অবস্থার দ্রুত অবসান হোক। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে নজরদারী  ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের ভোগান্তির পরিণতি যেন হয় উপযুক্ত শাস্তি। এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। 

Comment As:

Comment (0)